Wednesday, December 28, 2016

এক বাঙালের বাংলাদেশ – ৭


শাহরুখ খান অভিনীত একটা সিনেমা বেরিয়ে ছিল আমাদের দেশে ২০০৪ সালে। নাম ‘ম্যায় হুঁ না’। একটা chase sequence ছিল এই সিনেমায়, যাতে আমাদের বাদশা খান কে দেখা গিয়েছিলো রিকশায় চেপে একটি SUV কে তাড়া করে দুষ্টু লোকেদের বেদম শিক্ষা দিচ্ছে। সে দৃশ্য দেখে হাসবো নাকি কাঁদবো বুঝে উঠেতে পারিনি তখন। ফারহা খান ঠিক কোন মানসিক অবস্থায় এই দৃশ্যের কল্পনা করেছিলেন সেটাও ভাববার চেষ্টা করেছিলাম। উত্তর পাইনি সাথে সাথে। উত্তর পেয়েছিলাম অনেক দিন পরে - দেশের বাইরে গিয়ে। ঢাকায় রিকশা চেঁপে। ধানমন্ডির রাইফেল স্কোয়ারের সামনে দিয়ে অগুনতি রিকশার একটিতে আমি সওয়ার আর আমাদের রিকশা পাশ কাটিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে পেল্লাই পেল্লাই সব চার চাকার গাড়ি। আমার রিকশা চালক ভাই রাস্তা একটু ফাঁকা দেখলেই এমন গতিবেগ বাড়াচ্ছেন যে আমার জান পাখনা মেলে উড়ে যাবার জোগাড়। জীবনে কোনো দিন মোটর চালিত গাড়ির সাথে প্যাডেল করা রিকশার পাল্লা দেওয়ার স্পর্ধা দেখার প্রথম অবকাশ হয়েছিল আমার! ২০০৯ সাল অবধি আমি অপছন্দের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে যে বাক্য ব্যবহার করে বহুবার সুফল পেয়েছি, সেদিনও তার ব্যতিক্রম করিনি – ‘ভাইয়া একটু আস্তে চালান, আমার এখন বিয়ে হয়নি। বাসায় মা অপেক্ষা করছেন। ' কোনো কটু কথা না বলেও চমৎকার ফল পাওয়া যায় এই আবেদনে। ভাইয়া কথা শুনেছিলেন বৈকি। ফারহা খানের সাথে কোন দিন দেখা হলে নিশ্চই জিজ্ঞেস করবো ওনার এই রিকশা দিয়ে chase sequence'এর অনুপ্রেরণার কথা। তবে এখন এই রিকশা এডভেঞ্চার কিছুটা অভ্যাস হয়ে গেছে । মাঝে মধ্যে রিকশাচালক ভাই একটু রাস্তা ফাঁকা পেলে, আমি আর ওদের একটু সুখ করে প্যাডেল চালাতে মানা করি না।

ঢাকা শহর জুড়ে রয়েছে এরকম লাখ লাখ রিকশা। আবার পড়লেন? হ্যা, একদম ঠিক পড়েছেন - লক্ষ লক্ষ রিকশা।পৃথিবীর রিকশা রাজধানী এই শহর। এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যেতে মানুষের সব চেয়ে পছন্দের যান এই তিন চাকার বন্ধু। সারা শহর জুড়ে কোথাও লাইন করে, কোথাও লাইন কে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে সারি সারি রিক্সা সারা শহরের গতি সঞ্চার করে চলেছে দিনের পর দিন, বছরের পর বছর। বাংলাদেশে প্রায় ৭.৫ লক্ষ রিকশা রয়েছে যার প্রায় অর্ধেক রয়েছে দেশের রাজধানীতে। দিনে প্রায় ৭০ লক্ষ যাত্রী ব্যবহার করেন এই বাহন যা কিনা ঢাকার দৈনিক যাত্রী সংখ্যার ৭০%। গত শতকের ৩০'এর দশকে কলকাতা থেকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল রিকশা'কে আর আজকের দিনে সেই হলেন মধ্যবিত্তের যাতায়তের প্রথম পছন্দ। দেশের অর্থনীতিতে রিকশার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একবার এক সমীক্ষায় চমকপ্রদ তথ্য উঠে আসে - পরিবহন খাতে দেশের আয়ের দিক দিয়ে, বাংলাদেশের জাতীয় উড়ান সংস্থা বিমান বাংলাদেশের দ্বিগুন আয় হয় বাংলাদেশের সমস্ত রিকশার থেকে। প্রায় ২০ লক্ষ মানুষের জীবিকা হলো রিকশা চালানো।

এতো গুলো গরিব মানুষের অন্নদাতা এই রিকশা - সেটা যেমন ঠিক আবার এই বাহনের এই প্রচুর পরিমানে উপস্থিতি আমার মনে হয় ঢাকার গতিকে অনেক মন্থর করে দিয়েছে। এমন অনেক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা দিয়েই ঢাকায় রিকশা চলাচল করে যেটা না করলে মোটর চালিত যান আরো দ্রুত গতিতে চলতে পারতো। গত ১২ বছরে অবশ্য অনেক জায়গায় রিকশা চলাচলে নিয়ন্ত্রণ চোখে পড়েছে তবে সেটা প্রয়োজনের তুলনায় হয়তো যথেষ্ট নয়। যতদিন না কোনো বিকল্প ব্যবস্থা করে রিকশার ব্যবহার কেবল মাত্র এলাকা ভিত্তিক করে এবং বড় রাস্তার নাগালের বাইরে না নিয়ে যাওয়া যায়, ঢাকার মাথা-ব্যাথা করা যান জট নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে না। সময় বলে দেবে মেট্রো রেল চালু হলে এই পরিস্থিতির কি পরিবর্তন হবে। অপেক্ষা করতে হবে আরো তিন থেকে চার বছর।
এই রিকশায় বসে যাতায়ত করতে করতে আমার মনে অনেক সময় মজার, মজার সব কথা মনে আসে। ধরুন আপনি রিকশায় চেপে কোথাও যাচ্ছেন। খুব সকাল বা অনেক রাত্রি না হলে, যানজট অবধারিত। আপনি যাচ্ছেন, আপনার পাশ দিয়ে অগুনতি রিকশা যাচ্ছে। এক একটা মানুষ কে অনেক ক্ষণ ধরে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন আপনি। কখনো আপনার রিকশা এগিয়ে যাচ্ছে, বা কখনো পিছিয়ে পরছে। আসে পাশের মানুষ গুলো সব মোটামুটি একই। আমি ভাবি এই ভাবে পথে যেতে যেতে কখনো কেউ কারো প্রেমে পড়েনি !!! এরকম তো হতেই পারে। এক একটা সিগন্যাল পার হচ্ছে আর চোখাচুখি থেকে সেটা স্মিত হাসি, বা ঘুরে, ঘুরে বার,বার দেখায় বদলে যাচ্ছে। কখনো সেই প্রেম কাহিনী রাস্তার মোড়ে বাঁক নিয়ে হাড়িয়ে যাচ্ছে আর কেউ, কেউ গতি বাড়াচ্ছে সেই থেমে থাকা রাস্তার প্রেমে। হয় কি এরকম ! হয় নিশ্চই।

এমন সব লম্বা লম্বা দূরত্ব ঢাকায় রিকশা করে পার করা যায় আমাদের এখানে তা কল্পনার অতীত। মিছিলের মতো রিকশা চলছে শহর জুড়ে। একজনের ঠিক পিছনেই আরেকজনের রিকশা। কেউ কাউকে এক বিন্দু জায়গা ছাড়বে না। একই গতিতে, একই ছন্দে চলছে শয়ে, শয়ে রিকশা রাস্তার অনেকটা অংশ জুড়ে। একজন ব্রেক চাপলে, অনেক সময়ই পেছনের রিকশা এসে ধাক্কা মেরে দেয়। পায়ের কাছে যে কাঠের উঁচু অংশ টি থাকে রিকশায় - সেখানে পায়ের পাতা দিয়ে কি ভাবে চলন্ত রিকশায় দেহের ব্রেক চিপতে হয় - সেটা না জানলে - ছিটকে পরা, অবধারিত।

বাংলাদেশের রিকশা প্রস্থে একটু সরু হয়। আমাদের দেশের তুলনামূলক ভাবে চওড়া রিকশা আরো বেশি চওড়া হয়েছে গত কয়েক বছরে। আমি, আমার গিন্নি বসার পর, আমাদের পাঁচ বছরের মেয়ে এখনো আমাদের মাঝ খানে ভালো ভাবেই এঁটে যায়। ঢাকার রিকশায় তা কখনোই সম্ভব হবে না। আমাদের দুজনকেই বেশ কষ্ট করে বসতে হবে। তবে রিকশায় তৃতীয় কোনো পূর্ণ বয়স্ক মানুষকে ঢাকায় এক মজার কায়দায় বসতে দেখেছি। আমরা পেছনে যেখানে হেলান দিয়ে বসি, তার ওপর চড়ে বসেন তৃতীয় মানুষ - যিনি আর বাকি দুজন সিটে বসার পর দুজনের দেহের মাঝখান দিয়ে একটা পা বের করে দেন আর আরেকজনের শরীরের পাশ দিয়ে অপর পা।
অধিকাংশ রিকশাকেই খুব যত্ন নিয়ে সাজানো হয়। রিকশার হুড গুলো কুলোর মতো বাঁকানো থাকে - এপারের রিকশার থেকে এই হুড গুলোই ওপারের রিকশা গুলোকে সম্পূর্ণ আলাদা করে দেয়। আর আছে রিকশা জুড়ে আঁকা নকশা। রিকশার পেছনে লেখা থাকে নানা কথা । কোথাও ‘মায়ের দোয়া’ তো কোথাও শুধু মোবাইল নম্বর। চাইলে এই রিকশা যাত্রাকেও বেশ উপভোগ্য করে নেওয়া যায় । ফ্যাশন ইন মোশন , ইমোশনস ইন মোশন -আর থেমে গেলেই পেছন থেকে চালক বলে ওঠেন - টান দ্যান বা টান দে। সাথে গামছা দিয়ে ঘাম মোছা আর এগিয়ে চলা।

আর হ্যা - খালি রিকশা ধরবার জন্যে 'এই রিকশা' বলে ডাকলে চোখের সামনে দিয়ে রিকশাচালক ভ্রূক্ষেপ না করেই রিকশা হাঁকিয়ে চলে যাবেন । ডাকতে হবে - 'এই খালি'… (ক্রমশ)

প্রতীক তরফদার । ২৮.১২.২০১৬

*** আমি লিখছি সম্পূর্ণ নিজের খেয়ালে, নিজের অভিজ্ঞতা ও ভাবনাকে বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয় পরিজনের সাথে ভাগ করে নিতে। অনেকে পড়ে আনন্দ পাচ্ছেন, পরের কিস্তির জন্য অপেক্ষা করছেন, এই লেখা তাদেরই জন্যে। সব মতামত আমার একান্ত ব্যক্তিগত, কারো ভাবাবেগে আঘাত করা আমার উদ্দেশ্য নয়। কোনো তথ্যগত ভুল থাকলে, দয়া করে আমায় সংশোধন করে দেবেন। লিখে আনন্দ পাচ্ছি, তাই লিখছি - কোনো বিশেষ বিষয়ের বিশেষজ্ঞ হিসাবে নিজেকে প্রমানের কোনো তাগিদ নেই।

এক বাঙালের বাংলাদেশ – ৬


নামের মানে জানতে চাইলে, আমি অনেককেই বিব্রত হতে দেখেছি। তবু নামের মানে জানার কৌতুহলের আমার শেষ নেই। কোনো নাম জানি অথচ তার মানে জানি না ব্যাপারটা আমার কাছে কেমন যেন অসম্পূর্ণ লাগে। যেন তাকিয়ে আছি কিন্তু দেখতে পাচ্ছিনা। সে মানুষই হোক বা কোনো স্থান। নামের মানে বা উৎস জানা'টা আমার কাছে খুব জরুরি মনে হয়।
যখন প্রথম ঢাকা শহরের নাম শুনেছিলাম, বেশ আশ্চর্য লেগে ছিল। এ আবার কেমন নাম ! ঢাকা মানে তো আচ্ছাদিত - কোনো কিছু কে ঢেকে রাখলেই না আমরা বলি ঢাকা। মজা লেগে ছিল। তারায় ঢাকা আকাশ আর তারই নিচে এক মস্ত শহর - যার নাম ঢাকা।
ঢাকা শহরের নাম করণ নিয়ে নানা মুনির নানা মত। কেউ কেউ বলেন সেন বংশের রাজা বল্লাল সেন বুড়ি গঙ্গা নদীর তীরে ঘুরতে ঘুরতে, পাশের জঙ্গলে একটি দেবী দুর্গার মূর্তি খুঁজে পান এবং সেটিকে উনি মন্দির তৈরী করে প্রতিষ্ঠাও করেন। যেহেতু বিগ্রহটিকে গুপ্ত বা ঢাকা অবস্থায় পাওয়া যায়, তাই ওই মন্দিরের নাম করণ করা হয় ঢাকেশ্বরী মন্দির। এটি বাংলাদেশের জাতীয় মন্দির, আর এই মন্দির থেকেই নাকি জায়গাটির নাম হয় ঢাকা। আমরা যাকে পলাশ ফুল হিসাবে চিনি তার আরেক নাম ঢাক ফুল। এই অঞ্চলে এক সময় প্রচুর ঢাক ফুলের গাছ ছিল আর সেই থেকেই, শোনা যায় শহরের নাম হয়েছিল ঢাকা। না এখানেই নামের ইতিহাস শেষ নয়। কারো কারো মতে ঢাকা নামের উৎস হলো আমাদের প্রিয় বাদ্যযন্ত্র ঢাক। এই ঢাক বাজিয়েই যেহেতু বাংলার রাজধানী হিসাবে এই শহরের আত্মপ্রকাশ, তাই নাকি এই শহরের নামকরণ হয় ঢাকা।

অনেক তো হলো ইতিহাসের কথা, নামের উৎসের কথা এবার শহরের বর্তমান অবস্থার কথা বলা যাক।

মস্ত বড় এক শহরের নাম হলো ঢাকা - প্রচুর চাপ সামলাতে গিয়ে কিছুটা ক্লান্ত, কিন্তু দমবার পাত্র সে মোটেই নয়। এগিয়ে চলাই তার পরম মন্ত্র আর উত্তরোত্তর নিজেকে উন্নত করার বিষয়ে ঢাকা শহর চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রত্যয়ী। তার প্রেমে না পরে থাকা যায় না। অন্য অনেক শহরের মতোই চরম বৈপরীত্যে ভরা সে। শহরে যেমন বাস করেন ধনীর ধনী মানুষ আবার তার সাথেই আছেন হতো দরিদ্র মানুষ। মধ্যবিত্ত মানুষ'তো আছেনই। প্রধানমন্ত্রীর কার্য্যালয়ের সামনে, গুলশান বা বারিধারার মতো জায়গায় যেমন চওড়া রাস্তা আছে, পুরোনো বা পুরান ঢাকায় তেমনই আছে অত্যন্ত সরু, সরু রাস্তা - গলি বলাই ভালো। ১০/২০ তলা ফ্লাট বা পেল্লাই বাংলো যেমন শহরের ঐশর্য্যের আভাস দেয়, সারি সারি ছেঁড়া ত্রিপল দিয়ে ঢাকা ছোট্ট ছোট্ট মাথা গোঁজার আস্তানা বুঝিয়ে দেয় প্রদীপের তলার অন্ধকার টা ঠিক কোন খানে।

বাংলাদেশে থাকলে আমার মাথায় একটা মজার তুলনা সব সময় চলতেই থাকে। কারণ'টা জানাই আছে। ভাষা - আমাদের অতি প্রিয় মাতৃভাষা। চারি পাশে সবাই বাংলায় কথা বলছেন, অথচ দেশটাই আলাদা। তাই যখন গুলশান, বারিধারা যাই, তখন আমাদের আলিপুর বা নিউ আলিপুরের কথা মনে পরে যায়, উত্তরা বা বসুন্ধরা আবাসিকে গেলে সল্ট লেক এর কথা আর শহরের মধ্যে থাকলে সেন্ট্রাল কলকাতার কথা মনে পড়তে থাকে। যদি ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট টা আরেকটু যত্ন করে করা যেত, 'ঢাকায় থাকি' বলতে আরো অনেক বেশি আনন্দ বোধ করতো ঢাকাবাসীরা। শহরের পরিসর অনুপাতে জনসংখ্যা এখানে অনেক, অনেক বেশি আর অত্যন্ত আশংকার বিষয় যে সেই অনুপাতে রাস্তা অত্যন্ত কম। গোদের উপর বিষ ফোঁড়া হলো এখানকার মানুষের লম্বা গাড়ি প্রীতি। আমাদের দেশে যেমন ছোট মাপের ফ্যামিলি কার জনপ্রিয় হওয়ায় রাস্তায় অনেক কম জায়গা নিয়ে চলে এরা আর এতে পার্কিঙের জায়গাও লাগে কম। কোনো অজ্ঞাত কারণে বাংলাদেশে ছোট গাড়ির ব্যবহারে মানুষের কোনো আগ্রহ নেই। রাস্তায় হাতে গোনা কিছু এদেশের মারুতি এসটিলো দেখতে পাওয়া যাবে - সে দেশের রাস্তা দাপিয়ে বেড়ায় টয়োটার বিভিন্ন মডেলের পেল্লাই সব বাহন । নতুন গাড়ির পাশাপাশি রিকন্ডিশনড গাড়ির মস্ত বড় বাজার হলো বাংলাদেশ। আজ এতো টুকুই থাক - পরের কিস্তিতে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট আর ট্রাফিক নিয়ে আরো গল্প হবে। (ক্রমশ)

প্রতীক তরফদার । ১৮.১২.২০১৬

*** আমি লিখছি সম্পূর্ণ নিজের খেয়ালে, নিজের অভিজ্ঞতা ও ভাবনাকে বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয় পরিজনের সাথে ভাগ করে নিতে। অনেকে পড়ে আনন্দ পাচ্ছেন, পরের কিস্তির জন্য অপেক্ষা করছেন, এই লেখা তাদেরই জন্যে। সব মতামত আমার একান্ত ব্যক্তিগত, কারো ভাবাবেগে আঘাত করা আমার উদ্দেশ্য নয়। কোনো তথ্যগত ভুল থাকলে, দয়া করে আমায় সংশোধন করে দেবেন। লিখে আনন্দ পাচ্ছি, তাই লিখছি - কোনো বিশেষ বিষয়ের বিশেষজ্ঞ হিসাবে নিজেকে প্রমানের কোনো তাগিদ নেই।